The Power of Now এর লেখক একার্ট টোলে’র পরিচিতি

অনুবাদকদের আড্ডার প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ শক্তিমান বর্তমান-এর মূল গ্রন্থটির নাম হচ্ছে The Power of Now. এর লেখক একার্ট টোলে-কে নিয়ে উইকিপিডিয়া অবলম্বনে সংক্ষিপ্ত লেখক পরিচিতি লিখেছেন সাফাত হোসেন।

লেখক পরিচিতি

একার্ট টোলে জার্মান বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান নাগরিক। তিনি ‘The power of now’ এবং ‘A new earth’ এর লেখক হিসেবে সুপরিচিত। তার ‘The power of now’ বইটি ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত হয়। বইটি ২০০০ সালে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ পত্রিকার বেস্টসেলার লিস্টে আসে।

২০০৮ সালে বিখ্যাত টিভি উপস্থাপিকা ওপরাহ উইনফ্রে, টোলের ‘A new earth’ বইটিকে নিয়ে প্রথমবারের মত দশ পর্বের একটি টক শো উপস্থাপনা করেন, যাতে প্রায় ৩.৫ কোটি দর্শক অংশগ্রহণ করেছিলো। ২০০৯ সালের মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকায় ‘The power of now’ এবং ‘A new earth’ বই দুটির যথাক্রমে ৩০ লক্ষ এবং ৫০ লক্ষ কপি বিক্রি হয়। ২০০৮ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমস তাকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় আধ্যাত্মিক লেখক হিসেবে অভিহিত করে। ২০১১ সালে টোলে ‘Witkins review’ এর জরিপে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচিত হন।  একার্ট গত এক দশকের বেশি সময় ধরে কানাডায় বসবাস করছেন।

একার্টের জন্ম জার্মানির ডর্টমুন্ড শহরে, ১৯৪৮ সালে। টোলে তার জীবনের তার জার্মানির শৈশবজীবনকে বিশেষভাবে অসুখী বলে চিহ্নিত করেছেন। শৈশবেই তার বাবা-মার ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছিল, স্কুলের পরিবেশকে তার অসহ্য মনে হতো। শৈশবে একার্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর বিমান হামলায় বিধ্বস্ত এক দালানে খেলতে গিয়ে ‘দেশটির শক্তিবলয়ে দুঃখকে অনুভব করেন’। ১৩ বছর বয়সে টোলে তার বাবার সাথে স্পেনে চলে আসেন। তার বাবা তাকে হাইস্কুলে পড়ার জন্য জোর করেন নি, তাই টোলে বাসায় বসে ভাষা, সাহিত্য, ও মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করেন।

১৯ বছর বয়সে একার্ট লন্ডনে চলে আসেন এবং লন্ডনের একটি স্কুলে তিন বছরের জন্য জার্মান ও স্প্যানিশ ভাষায় উপর শিক্ষকতা করেন। এ সময়ে টোলে ‘বিষণ্ণতা, উদ্বেগ ও ভয়’ দিয়ে তাড়িত হয়ে ‘জীবনের অর্থ’ খুঁজতে শুরু করেন। ২২ বছর বয়সে টোলে তার এই অন্বেষণের অংশ হিসেবে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন, মনোবিজ্ঞান, এবং সাহিত্য নিয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন। স্নাতক সম্পন্ন করার পর তাকে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর গবেষণার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে বৃত্তি দেয়া হয়। টোলে ১৯৭৭ সালে সেটা শুরু করে এর পরপরই তা ছেড়ে দেন। তার ২৯ বছর বয়সে, ১৯৭৭ সালের এক রাতে, অনেক বছরের ভয়ানক বিষণ্ণতার পর টোলে নিজের ভেতরের এক ”আধ্যাত্মিক রুপান্তর” এর কথা উল্লেখ করেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের ২০০৯ সালে প্রকাশিত এক অনুচ্ছেদ অনুসারে, টোলে কোনো ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত নন, তবে জেন দর্শন (বুদ্ধ দর্শনের একটা শাখা), সুফিবাদ, হিন্দুদর্শন, ও বাইবেলের শিক্ষাকে ব্যবহার করেন”।

||অনুবাদকদের কথা||

||শক্তিমান বর্তমানের ভূমিকা||

||শক্তিমান বর্তমানের প্রথম অধ্যায়||

প্রত্যুত্তর দিন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *