বিধ্বস্ত মক্কা

আপনারা ধর্মীয় আবেগ রক্ষার নিমিত্তে আর ইসলামের পবিত্র স্তম্ভ হজ্ব পালনে ব্রত হয়ে মানসিক শান্তি পেতে এবং পরকালের ভিত্তিস্তম্ভ  জোরালো করতে হজ্বে যাচ্ছেন। ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে পবিত্র স্থান মক্কা দর্শনে যাচ্ছেন একটা পবিত্র দৃষ্টিকোণ থেকে। কিন্তু আপনাদের এই পবিত্র দৃষ্টিকোণ আর মানসিক প্রশান্তির জায়গাটাকে পুঁজি করে সৌদি সরকার যে ফাঁদ পেতে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত তাদের নিজেদের ব্যবসায়িক উন্নতির লক্ষ্যে—তা’র একটা ঝলক জেনে নিন, আপনাদের জানা দরকার, নিচের লেখা থেকে যে ছোট চিত্র ভেসে উঠবে তা সৌদি সরকারের হজ্ব নিয়ে যে চিন্তাভাবনা তা সেই ভাবনার-ই বহিঃপ্রকাশ।

সৌদি আরবের নির্মাণশৈলীর ত্রুটিগত তাণ্ডবে আজ ইসলামের পবিত্র শহরগুলো হুমকির মুখে।

মূলঃ দ্য ডেস্ট্রাকশন অব মক্কা
• By Mustafa Hameed

Muslim pilgrims take picture near the Islam's holiest shrine, the Kaaba, at the Grand Mosque in the Saudi holy city of Mecca, late on September 20, 2015. The annual hajj pilgrimage begins on September 22, and more than a million faithful have already flocked to Saudi Arabia in preparation for what will for many be the highlight of their spiritual lives. AFP PHOTO / MOHAMMED AL-SHAIKH        (Photo credit should read MOHAMMED AL-SHAIKH/AFP/Getty Images)
Photo credit – MOHAMMED AL-SHAIKH/AFP/Getty Images

১১ সেপ্টেম্বর ২০১৫; ভারী বাতাস আর দুর্যোগপূর্ণ অবস্থার ফলে একটি লাল-সাদা লাইবহার নির্মাণ ক্রেন (বিশ্বের অন্যতম সুউচ্চ ক্রেনের মধ্যে একটি) ইসলামের পবিত্রতম উপাসনালয় মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে ভেঙে পড়ে। অন্তত ১০৭ জন মারা যায় এই দুর্ঘটনায়, আহত হয় আরো ২০০ জনের মতো। গ্র্যান্ড মসজিদ আর ইসলামের কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভ কাবা’কে ঘিরে আরো বেশ কিছু এই বিশালাকৃতির ক্রেন আছে; যেগুলা পবিত্র এই শহর নির্মাণ এবং উন্নয়নের নামে খুবই বাজে একটা অংশ, সৌদি আরব এই ক্ষেত্রে একটা আগ্রাসী মনোভাবের ছাপ রাখছে। গত দুই দশকে বার্ষিক হজ্বের সময়ে ঝাঁক বেঁধে আসা হজ্বযাত্রীদের সংখ্যা প্রায় আড়াই গুণ বেড়েছে, ২০০৭ সালে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ১২ লাখ কিন্তু ২০১১ তে এসে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ২৯ লাখে। সাথে সাথে পুরো রাজ্যে ভারী যন্ত্রপাতি আনা শুরু হলো, বিলাসবহুল নতুন হোটেল, রাস্তা তৈরি হতে লাগলো এবং মসজিদ কমপ্লেক্স গুলোর সুবিশাল সম্প্রসারণ ঘটলো। তবে এই বছরের হজ্ব তথা ২০১৫ সালের এই বড় বড় দুর্ঘটনাগুলো আর মানুষ হতাহতের এই দুঃখজনক ব্যাপারগুলো কিছু নতুন প্রশ্নের তোপের মুখে ফেলছে সৌদি আরবকে, এত হজ্বযাত্রীদের ক্রমাগত আগমনে মক্কা কতটুকু প্রস্তুত ছিল আর এই সুবিশাল পরিকল্পনার পেছনে সৌদি আরব কতটা সততার পরিচয় রেখেছে এটাও প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। যন্ত্রাদি, সংস্কৃতি এবং এখন মানুষকেও তার জীবনের চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে এদের সামগ্রিক ব্যর্থতার কারনে। সময় এসেছে সৌদি’কে চোখে আঙুল দিয়ে এই বিষয় অনুধাবন করানোর।

স্থানীয় বরাতে জানা যায়, এখনো পুরো গ্র্যান্ড মসজিদ জুড়ে মোটামুটি ১০০ টি ক্রেন আছে যেগুলা ব্যবহার করা হচ্ছে এই প্রজেক্টকে আরো বড় করার লক্ষ্যে। এত বড় বিপর্যয়ের পরেও ক্রেনগুলো একই জায়গায় রাখা হয়েছে, ক্রেনগুলো দাঁড়িয়ে আছে হজ্বে আসা ২৫ লক্ষ মানুষের হজ্ব পালনের প্রত্যাশা ভঙ্গের মগডালে। ইরানের ইসলামী ঐতিহ্য রিসার্চ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ইরফান আল-আলাবি বলেন ‘ক্রেনগুলো এখনো ঐস্থলে রাখা আছে, আর ওখান দিয়ে জনসাধারণ হরহামেশাই যাতায়াত করে।’ “যদি আবার বাজে আবহাওয়া ধেয়ে আসে তখন কি অবস্থা হবে?”

এই পবিত্র স্থানে এর আগেও এমন বোকামির ফলস্বরূপ কিছু ট্র্যাজেডির সম্মুখীন হতে হয়েছে হজ্বযাত্রীদের। কয়েকবছর আগেও আকস্মিক আতঙ্কে, হুড়োহুড়িতে শতশত হজ্বযাত্রী মারা যায়। এরকম কিছু ঘটনার জের ধরেই সাম্প্রতিক সময়ে মক্কার সম্প্রসারণ প্রজেক্টের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, এইসব পরিবর্ধন নিয়ে মুসলিম বিশ্বে অনেকদিন যাবত বিতর্ক চলছে এবং এমনকি ভীষণ ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মক্কা’কে ঘিরে বড় বড় প্রজেক্টের তথ্য এবং বাজেট সম্বন্ধে জানতে এই লিংক’টাতে ঢুঁ মেরে আসতে পারেন – মক্কার প্রজেক্ট প্লান আর বাজেট — সৌদি আরব

মসজিদ বর্ধন প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল এই গ্র্যান্ড মসজিদে আরো অতিরিক্ত ১৬ লাখ হজ্বযাত্রী’র জন্য পর্যাপ্ত জায়গা তৈরি করে দেয়া—এটা ছিল পুরো মক্কার পরিবর্ধন প্রকল্পের মাত্র একটি ঝলক। অনেক টাকার পাহাড়ে নির্মাণ প্রকল্প;অপব্যয় বললেও কম হবে—আব্রাত আল-বায়েত টাওয়ারগুলোতে থাকবে শপিং মল, একটি হেলিপ্যাড, বিলাসবহুল নিবাস, আর দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ক্লকফেইস সমন্বিত হোটেল চত্ত্বর; এইটাও ঐ পরিবর্ধন প্রকল্পের আরেকটি ঝলক। এটার কেন্দ্রবিন্দুতে আছে বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ ভবন, ১৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার ব্যয়ে নির্মিত ফেয়ারমন্ট মক্কা ক্লক রয়্যাল টাওয়ার হোটেল, এর আকার লন্ডনের বিগ বেন টাওয়ারেরও ছয়গুন। আরো নতুন দশহাজার রুম নিয়ে একটি মেগা হোটেলের মাধ্যমে এই টাওয়ারকে বিশ্বের সব থেকে উঁচু টাওয়ার বানানোর প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে,যার উদ্বোধন করা হবে ২০১৭’তে, এটা মক্কা পরিবর্ধনের অন্যতম এক প্রকল্প।

এই মাল্টিবিলিয়ন ডলার প্রচেষ্টা সত্তেও, মক্কায় অপরিহার্য সেবাগুলো বিপজ্জনকভাবে অপর্যাপ্ত অবস্থায় আছে। গ্র্যান্ড মসজিদের পাশেই যে আজেয়াদ ইমারজেন্সি হাসপাতালটি রয়েছে তার শয্যা সংখ্যা মাত্র ৫২টি। এর থেকে সামান্য বড় হচ্ছে আল-নুর হাসপাতাল, যার অবস্থান আজেয়াদ হাসপাতাল থেকে আরো চার মাইল দূরে। একটি ভাল ব্লাড-ব্যাংক পর্যন্ত নেই। ইসলামী ঐতিহ্য রিসার্চ ফাউন্ডেশন আলাবি’র দেয়া রিপোর্টের বিবৃতিতে বলা হয় মক্কার একটি নির্মাণাধীন প্রকল্পে সম্প্রতি যখন আগুন লাগে তখন মক্কার আগুন নিয়ন্ত্রণ বিভাগ তাদের ইঞ্জিন দিয়ে অগ্নিশিখা সামাল দিতে পারছিলো না, তারপর তারা তায়েফের আগুন নিয়ন্ত্রণ বিভাগকে ফোন করে সাহায্যের জন্যে, মক্কা থেকে এক ঘণ্টা দূরের পথ এই তায়েফ শহর। হাসপাতালের মতো এখানেও অব্যবস্থাপনা।

এই পবিত্র শহরের ২৫ লাখ অধিবাসীর জন্যে মৌলিক সুযোগসুবিধার ব্যবস্থাগুলো সাংঘাতিকভাবে অপর্যাপ্ত।

মক্কার নির্মাণ প্রকল্পের জন্যে অতিরিক্ত খরচ, বিলিয়ন ডলার ব্যয় এই সব কিছুকেই পর্যবেক্ষকরা দেখছেন শহরের শ্রী-বিজ্ঞান আর সংস্কৃতির ধারক বহনকারী কাঠামোগুলোর ওপর আঘাত রূপে। সার্বিক এই উন্নয়নমূলক কাজের ফলে শহরের প্রায় ডজন খানেক ঐতিহাসিক স্থাপনা এবং একই সাথে পবিত্র স্থানসমূহ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এর মাঝে কিছু কিছু পবিত্রস্থান একেবারেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

আজেয়াদ দুর্গ, অটোমান যুগে বানানো একটি বিস্তৃত পাথরের দুর্গ; একদা এমটি. বুলবুলের দক্ষিণের এক পবিত্র স্থানের চূড়া থেকে গ্র্যান্ড মসজিদ দেখা যেত, এই এমটি. বুলবুল আত্মরক্ষার প্রাচীর হয়ে ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই শহরকে রক্ষা করেছে বহিআক্রমণ এবং দস্যুবৃত্তি’র হুমকি থেকে। যখন ২০০২ সালে নির্মাণ কর্মীরা এই দুটো স্থাপনা যথাক্রমে আজেয়াদ দুর্গ এবং মেটাগন বুলবুল গুঁড়িয়ে সমতল করে ফেলে তখন তুর্কির সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় এই কাজ’টাকে “সংস্কৃতি আর সভ্যতাকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে ব’লে” অভিহিত করেন। দ্য মক্কা ক্লক রয়্যাল টাওয়ার এখন এই জায়গাটাতে দাঁড়িয়ে আছে।

মসজিদ চত্ত্বরের মাঝে অনেক স্তম্ভগুলো সেই আব্বাসীয় যুগে তৈরি করা, এরকম অনেক ঐতিহ্যগতভাবে উল্লেখযোগ্য স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে, বলা হয় মসজিদের উন্নয়নের জন্য এগুলা ভাঙার প্রয়োজন পড়েছিল। হজ্ব গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা সামি অংগবি দ্য গার্ডিয়ান’কে ২০১২ দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন “সৌদি সরকার পবিত্র উপাসনাস্থলের এই শহরটাকে পুরো একটা যন্ত্র বানিয়ে ফেলছে মনে হচ্ছে যেন শহর’টার কোনো পরিচয় নেই, কোনো কোনো ঐতিহ্য নেই, কোনো সংস্কৃতি নেই, আর নেই কোনো প্রাকৃতিক পরিবেশ।”

প্রাসঙ্গিক ভাবে নবী মোহাম্মদের জীবনের সঙ্গে জড়িত যে সব ঐতিহাসিক স্থাপনা রয়েছে সেগুলোর মধ্যে কিছু ধ্বংস করা হয়েছে আর বাকী স্থাপনার উপর সাম্প্রতিক দশকে নতুন করে কিছু বানানো হয়েছে। নবীর সবচেয়ে কাছের সঙ্গী এবং ইসলামের প্রথম খলিফার বাড়ির ওপর এখন একটি হিল্টন হোটেল এবং একটি বার্গার কিং নির্মিত হয়েছে। নবীর স্ত্রী খাদিজার বাড়িটা এখন শৌচাগার কেন্দ্র, এখানে বর্তমানে ১৪০০টি প্রকাশ্য পাবলিক শৌচাগার তথা টয়লেট রয়েছে।

সমালোচকরা বলছেন, এই কাজগুলি হচ্ছে সৌদি রাজতন্ত্র দ্বারা সমর্থিত ওয়াহাবী’র অতিরক্ষণশীল সালাফি ভাবাদর্শের উপলব্ধি, যার মাধ্যমে তারা ঐতিহাসিক আর সাংস্কৃতিক সাজসজ্জার প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দিবে যেগুলো স্রষ্টা ছাড়া অন্য কোনো কিছুর সাথে জড়িত তথা ধর্মীয়তত্ত্ব বা দেবতা সমতুল্য’দের পাপের সাথে খানিকটা সম্পর্কিত। ওয়াহাবী সালাফিজমে এই সাজসজ্জাগুলোর জন্য একটাই সল্যুশন আছে সেটা হচ্ছে দ্রুত এগুলো ধ্বংস বা বিলোপ করে ফেলা। আলাবি বলেন, পরিকল্পনাগুলো খুব সহজেই বাস্তবায়ন করা যেত আর সেই অনুযায়ী ঐতিহাসিক স্থান সমূহের জন্য অনেক সুন্দর ব্যবস্থা নেয়া যেত, তা না করে এক অতিরিক্ত ইচ্ছাকৃত খরচের মাধ্যমে তারা ঐতিহাসিক স্থাপনা সমূহের আর ঐতিহ্যবাহী ফলকগুলোকে ধ্বংস করছে।

এই ধরনের বিদ্ধংসী আচরণ সৌদি আরবের বংশানুক্রমিক উৎস ঘাটলেই পাওয়া যায়ঃ সৌদি’রা যখন ১৯২০ সালে মক্কা আর মদিনার নিয়ন্ত্রণ পেল তখনই তারা দ্রুত নবী মোহাম্মদের পরিবার আর তাঁর সঙ্গী’দের বহুদিনের পুরনো জমকালো সমাধি ধ্বংস ক’রে দিয়েছিল। এইভাবে বল প্রয়োগের মাধ্যমে একটা বিশ্বাস’কে আঘাত করার ঘটনাটা অনেকটা বামিয়ান বুদ্ধদের ওপর তালিবান’দের হামলার মতোই। আরো জঘন্যভাবে বললে বলা যায় যে এই ঐতিহাসিক জিনিসগুলোর উৎপাটন’টা হচ্ছে ইসলামিক স্টেটের গর্হিত কাজগুলোর মতোই, সম্প্রতি ইসলামিক স্টেট তালি আর আসিরিয়ানদের পুরাকীর্তি সমূহ গুঁড়িয়ে দিয়েছে।

আদর্শ মতে, ওয়াহীবিজম বিশ্বাসীরা অন্যান্য মুসলিমদের যে ইচ্ছা (যেমন অন্যান্য মুসলিমরা চায় এই পবিত্র নগরীর ঐতিহ্য আর ইতিহাস অটুট এবং সংরক্ষিত থাকুক।), সেই ইচ্ছার প্রতি তারা অস্বাভাবিকভাবে অগ্রাহ্য আর অবজ্ঞা পোষণ করে।
মক্কা টাওয়ারের শীর্ষে প্রকাণ্ড ক্লকফেইসে “আল্লাহ” দিয়ে আবৃত করা, এর দ্বারা ওহাহীবি’দের মতাদর্শই বোঝানো হয়। তারা কেবল দুটো বিষয়ে বিশ্বাস করে – এক আল্লাহ, দুই বর্তমান সময়।

যে ক্রেনগুলো বছরের পর বছর গ্র্যান্ড মসজিদে দাঁড়িয়ে আছে (অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মাসুলের প্রতীকরূপে) হজ্ব যাত্রীদের আরাম আর নিরাপত্তার স্বার্থে তা-ই আজ মানুষের প্রাণ হরণ করলো। সৌদি আরব তাদের নির্মাণ আর ধ্বংসের খেলা অব্যাহত রেখেছে, মক্কার ঐতিহ্য আর ইতিহাস এখন অনিশ্চয়তার তোপে এবং হজ্বযাত্রীদেরকেও এক বিস্ময়ের মধ্যে রেখে দিয়েছে, এই বছর হজ্বে আর কী কী ঘটতে পারে?

এই আর্টিকেল লেখার কয়দিন পরেই মীনায় জামারাতে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় পদদলিত হয়ে আরো শত শত মানুষ মারা যায় আরো আহত হয় সহস্রাধিক।

১,৯৭২ ফুট উঁচু টাওয়ার-এর বিলাস স্যুট-এর ছায়ায়, কাবার কালোকাপড়ে মোড়ানো একপ্রস্তর স্তম্ভ, ইসলাম-এর সবচেয়ে পবিত্র সমাধি, পাথুরে মরু ভূচিত্রে একটি নুড়ির মতো বসে।

2 মন্তব্য “বিধ্বস্ত মক্কা

প্রত্যুত্তর দিন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না। Required fields are marked *